, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

কুমারখালী চৌরঙ্গীতে পিয়াজ-রসুনের ঝাঁজ বেড়েছে হঠাৎ, বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত বাজার চৌরঙ্গীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে পিয়াজ ও রসুনের দাম। বাজারে(রোববার) প্রতি মণ দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১,৬০০ থেকে ১,৭৫০ টাকা দরে, যেখানে গতকাল এ দাম ছিল ১,৪৫০ থেকে ১,৫৫০ টাকা। একইসাথে রসুনের দামও বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮,৫০০ থেকে ৯,০০০ টাকা প্রতি মণ, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭,২০০ থেকে ৭,৫০০ টাকা

পাইকারি পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি পিয়াজ ৬৫-৭০ টাকা এবং দেশি রসুন ২২০-২৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির সাধারণ ভোক্তারা।

স্থানীয় এক বিক্রেতা আবু তালেব বলেন,
“গোডাউনে মাল কম, আর দাম বেশি। আমরা তো লাভ না বাড়িয়ে আগের মতোই বিক্রি করতে চাই, কিন্তু কিনতেই তো বেশি লাগছে।”

একই কথা বলছেন রসুন বিক্রেতা মো. মনিরুল ইসলাম:”চীন থেকে রসুন আসা কম, আবার পরিবহন ভাড়াও বেশি। সব মিলিয়ে দাম হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।”

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে তেমন কোনো দুর্যোগ না থাকা সত্ত্বেও নিত্যপণ্যের দামে বারবার এমন উলটপালট সাধারণ মানুষকে দিশেহারা করে তুলছে।

ক্রেতা রাশেদা খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“পাঁচ কেজি পিয়াজ-রসুন কিনতে গিয়েই এক হাজার টাকা খরচ হয়ে গেল। প্রতিদিন তো আর আয়ের পরিমাণ বাড়ছে না!”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরবরাহ ব্যবস্থা দুর্বল, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুদের কারণে বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত বাজার মনিটরিং ও নিত্যপণ্যে আমদানি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

এ অবস্থায় বাজারে স্বস্তি ফেরাতে স্থানীয় ভোক্তারা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানাচ্ছেন। তারা চান, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যেন কেউ নিত্যপণ্যের দাম বাড়াতে না পারে।

ভোক্তাদের দাবি, টিসিবির মাধ্যমে পিয়াজ-রসুন সরবরাহ বাড়ানো, বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং গোডাউন মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

ভোক্তারা জানান, পিয়াজ ও রসুনের বাজারে অস্থিরতা আবারও চোখে পড়ছে। এমন অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ না নিলে সামনে ঈদ বা উৎসবকেন্দ্রিক সময়গুলোতে আরও বিপাকে পড়বে সাধারণ মানুষ।

জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

কুমারখালী চৌরঙ্গীতে পিয়াজ-রসুনের ঝাঁজ বেড়েছে হঠাৎ, বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা

সর্বশেষ : ১০:৫৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত বাজার চৌরঙ্গীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে পিয়াজ ও রসুনের দাম। বাজারে(রোববার) প্রতি মণ দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১,৬০০ থেকে ১,৭৫০ টাকা দরে, যেখানে গতকাল এ দাম ছিল ১,৪৫০ থেকে ১,৫৫০ টাকা। একইসাথে রসুনের দামও বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮,৫০০ থেকে ৯,০০০ টাকা প্রতি মণ, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭,২০০ থেকে ৭,৫০০ টাকা

পাইকারি পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি পিয়াজ ৬৫-৭০ টাকা এবং দেশি রসুন ২২০-২৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির সাধারণ ভোক্তারা।

স্থানীয় এক বিক্রেতা আবু তালেব বলেন,
“গোডাউনে মাল কম, আর দাম বেশি। আমরা তো লাভ না বাড়িয়ে আগের মতোই বিক্রি করতে চাই, কিন্তু কিনতেই তো বেশি লাগছে।”

একই কথা বলছেন রসুন বিক্রেতা মো. মনিরুল ইসলাম:”চীন থেকে রসুন আসা কম, আবার পরিবহন ভাড়াও বেশি। সব মিলিয়ে দাম হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।”

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে তেমন কোনো দুর্যোগ না থাকা সত্ত্বেও নিত্যপণ্যের দামে বারবার এমন উলটপালট সাধারণ মানুষকে দিশেহারা করে তুলছে।

ক্রেতা রাশেদা খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“পাঁচ কেজি পিয়াজ-রসুন কিনতে গিয়েই এক হাজার টাকা খরচ হয়ে গেল। প্রতিদিন তো আর আয়ের পরিমাণ বাড়ছে না!”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরবরাহ ব্যবস্থা দুর্বল, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুদের কারণে বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত বাজার মনিটরিং ও নিত্যপণ্যে আমদানি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

এ অবস্থায় বাজারে স্বস্তি ফেরাতে স্থানীয় ভোক্তারা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানাচ্ছেন। তারা চান, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যেন কেউ নিত্যপণ্যের দাম বাড়াতে না পারে।

ভোক্তাদের দাবি, টিসিবির মাধ্যমে পিয়াজ-রসুন সরবরাহ বাড়ানো, বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং গোডাউন মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

ভোক্তারা জানান, পিয়াজ ও রসুনের বাজারে অস্থিরতা আবারও চোখে পড়ছে। এমন অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ না নিলে সামনে ঈদ বা উৎসবকেন্দ্রিক সময়গুলোতে আরও বিপাকে পড়বে সাধারণ মানুষ।