, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘দানব হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’ জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ৬-দফা দাবিতে লালপুরে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে নিষিদ্ধ আ.লীগের চার নেতা গ্রেফতার গৌরীপুরে খাদ্য গুদাম নির্মাণ কাজে চরম স্থবিরতা অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল সহকর্মীর হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হলেন শিক্ষিকা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেফতার ৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে

আমি ছিলাম রাজনৈতিক বন্দি, আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছিল — ড. গোবিন্দ

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি বঞ্চনা ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব ড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকেই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব অস্বীকার করে এসেছে এবং ধারাবাহিকভাবে তাদের প্রতারণা ও বঞ্চনার শিকার করেছে।
শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ড. গোবিন্দ বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের কাছে রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে ছিলাম। ১৯৫৪ সালে দলটি গঠনের দিন থেকেই হিন্দুদের রাজনৈতিকভাবে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব ধ্বংসের উদ্দেশ্য নিয়েই গঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, জামায়াত কেবল রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি “ইউনিভার্সাল ইউনিভার্সিটি”। এখান থেকে মানুষ নৈতিকতা, ধর্মীয় আদর্শ এবং সুশাসনের শিক্ষা পায়।
তিনি বলেন, আপনারা এখানে এসে জীবন পরিচালনার আদর্শ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।
ড. গোবিন্দ পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবি জানান। তিনি বলেন, এই দেশে যদি পিআর সিস্টেম ছাড়া নির্বাচন হয়, তাহলে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে। আমরা একবার এই ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছি, আবার সেটা চাই না।
তিনি আরও বলেন, সংখ্যালঘুদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হলে আলাদা নির্বাচন ব্যবস্থা ও অনুপাতে প্রতিনিধিত্বের বিকল্প নেই।
সমসাময়িক বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও টেন্ডারবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ড. গোবিন্দ। তিনি বলেন, এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আপনারা এমন একটি আদর্শিক পরিবেশে প্রবেশ করছেন, যেখানে আপনার জীবন ধন্য হবে, এমনকি যদি রাজনৈতিক ক্ষমতা না-ও থাকে
আরও খবর :
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে

আমি ছিলাম রাজনৈতিক বন্দি, আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছিল — ড. গোবিন্দ

সর্বশেষ : ০৮:২২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি বঞ্চনা ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব ড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকেই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব অস্বীকার করে এসেছে এবং ধারাবাহিকভাবে তাদের প্রতারণা ও বঞ্চনার শিকার করেছে।
শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ড. গোবিন্দ বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের কাছে রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে ছিলাম। ১৯৫৪ সালে দলটি গঠনের দিন থেকেই হিন্দুদের রাজনৈতিকভাবে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব ধ্বংসের উদ্দেশ্য নিয়েই গঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, জামায়াত কেবল রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি “ইউনিভার্সাল ইউনিভার্সিটি”। এখান থেকে মানুষ নৈতিকতা, ধর্মীয় আদর্শ এবং সুশাসনের শিক্ষা পায়।
তিনি বলেন, আপনারা এখানে এসে জীবন পরিচালনার আদর্শ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।
ড. গোবিন্দ পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবি জানান। তিনি বলেন, এই দেশে যদি পিআর সিস্টেম ছাড়া নির্বাচন হয়, তাহলে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে। আমরা একবার এই ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছি, আবার সেটা চাই না।
তিনি আরও বলেন, সংখ্যালঘুদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হলে আলাদা নির্বাচন ব্যবস্থা ও অনুপাতে প্রতিনিধিত্বের বিকল্প নেই।
সমসাময়িক বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও টেন্ডারবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ড. গোবিন্দ। তিনি বলেন, এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আপনারা এমন একটি আদর্শিক পরিবেশে প্রবেশ করছেন, যেখানে আপনার জীবন ধন্য হবে, এমনকি যদি রাজনৈতিক ক্ষমতা না-ও থাকে