, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

সুন্দরবন রক্ষায় প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিকল্প নেই

হাসান মামুন, স্টাফ রিপোর্টার:: পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক প্রকৃতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি শুধু বনজ ও জলজ প্রাণীদেরই নয়, মানুষের শরীরেও মাইক্রো প্লাস্টিক প্রবেশ করিয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বাস্তুসংস্থানের টেকসই উন্নয়নের জন্য পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিকল্প নেই। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘সুন্দরবন সুরক্ষায় যুব সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “সুন্দরবন-প্রভাবিত ৫ জেলার ১৭ উপজেলায় কাজ করছে ‘ইয়ুথ ফর দি সুন্দরবন’-এর ৫৩০ জন তরুণ। এদের বন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডল, হেলভেটাস বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম শাহরিয়ার মান্নান এবং বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ। উদ্দীপনামূলক সেশন পরিচালনা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. সৈয়দ মিজানুর রহমান। সম্মেলনে একাত্মতা প্রকাশ করেন সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাগণসহ পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকরা। অনুষ্ঠানে তরুণদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মো. শাহীন খলিফা এবং খাদিজা আক্তার সাথী। সুন্দরবন-সংলগ্ন ৫ জেলার ১৭ উপজেলার চার শতাধিক তরুণ এতে অংশগ্রহণ করেন, যারা তৃণমূল পর্যায়ে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ হ্রাসে নিরলসভাবে কাজ করছেন। সম্মেলনে সুন্দরবন সুরক্ষায় কাজ করা তরুণদের নিজ নিজ জেলার কার্যক্রম উপস্থাপনের জন্য স্টল স্থাপন করা হয়। জেলা পর্যায়ে বাগেরহাট এবং উপজেলা পর্যায়ে নেছারাবাদ, পাথরঘাটা ও আশাশুনি সেরা স্টলের পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়া সুন্দরবন সুরক্ষায় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অবদান রাখায় মঠবাড়িয়া, কয়রা ও কালিগঞ্জ ইয়ুথ ফোরামকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে “সুন্দরবন সুরক্ষায় খুলনা ঘোষণা” নামে ১৭ দফা সুপারিশমালা পেশ ও অনুমোদন করা হয়, যা উপস্থাপন করেন কর্ণ বিকাশ কেডি এবং লাবনী আক্তার। উল্লেখ্য, জার্মান সরকারের সহায়তায় এনজিও ‘রূপান্তর’ ২০২৪ সালের জুন থেকে সুন্দরবন ও তার আশপাশের এলাকায় পরিবেশ দূষণ হ্রাস এবং বাস্তুসংস্থান উন্নয়নে কাজ করছে। এই প্রকল্প চলবে ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

সুন্দরবন রক্ষায় প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিকল্প নেই

সর্বশেষ : ০৬:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
হাসান মামুন, স্টাফ রিপোর্টার:: পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক প্রকৃতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি শুধু বনজ ও জলজ প্রাণীদেরই নয়, মানুষের শরীরেও মাইক্রো প্লাস্টিক প্রবেশ করিয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বাস্তুসংস্থানের টেকসই উন্নয়নের জন্য পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিকল্প নেই। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘সুন্দরবন সুরক্ষায় যুব সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “সুন্দরবন-প্রভাবিত ৫ জেলার ১৭ উপজেলায় কাজ করছে ‘ইয়ুথ ফর দি সুন্দরবন’-এর ৫৩০ জন তরুণ। এদের বন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডল, হেলভেটাস বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম শাহরিয়ার মান্নান এবং বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ। উদ্দীপনামূলক সেশন পরিচালনা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. সৈয়দ মিজানুর রহমান। সম্মেলনে একাত্মতা প্রকাশ করেন সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাগণসহ পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকরা। অনুষ্ঠানে তরুণদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মো. শাহীন খলিফা এবং খাদিজা আক্তার সাথী। সুন্দরবন-সংলগ্ন ৫ জেলার ১৭ উপজেলার চার শতাধিক তরুণ এতে অংশগ্রহণ করেন, যারা তৃণমূল পর্যায়ে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ হ্রাসে নিরলসভাবে কাজ করছেন। সম্মেলনে সুন্দরবন সুরক্ষায় কাজ করা তরুণদের নিজ নিজ জেলার কার্যক্রম উপস্থাপনের জন্য স্টল স্থাপন করা হয়। জেলা পর্যায়ে বাগেরহাট এবং উপজেলা পর্যায়ে নেছারাবাদ, পাথরঘাটা ও আশাশুনি সেরা স্টলের পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়া সুন্দরবন সুরক্ষায় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অবদান রাখায় মঠবাড়িয়া, কয়রা ও কালিগঞ্জ ইয়ুথ ফোরামকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে “সুন্দরবন সুরক্ষায় খুলনা ঘোষণা” নামে ১৭ দফা সুপারিশমালা পেশ ও অনুমোদন করা হয়, যা উপস্থাপন করেন কর্ণ বিকাশ কেডি এবং লাবনী আক্তার। উল্লেখ্য, জার্মান সরকারের সহায়তায় এনজিও ‘রূপান্তর’ ২০২৪ সালের জুন থেকে সুন্দরবন ও তার আশপাশের এলাকায় পরিবেশ দূষণ হ্রাস এবং বাস্তুসংস্থান উন্নয়নে কাজ করছে। এই প্রকল্প চলবে ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।