, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
আল্লাহ তুমি আমাদের এই ব্রিজটি করার ব্যবস্থা করে দাও গোয়ালন্দের ছোট ভাকলা ইউনিয়নে বাড়িতে কাফনের কাপড় রেখে মেরে ফেলার হুমকি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পরিবার  পিরোজপুরের উন্নয়নে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলমগীর হোসেন হালুয়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের ১ বছর করে  কারাদণ্ড সিরাজগঞ্জে ডা. বাকি মির্জা হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন শিশুর শ্লীলতাহানির অভিযোগ, রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা আমে ভালো দাম পেয়ে সন্তুষ্ট চাষি-ব্যবসায়ীরা ঢুলিভিটায় সড়ক ও জনপথের নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানে হামলা সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা জোরালো
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

আবারো লকডাউনের আতঙ্কে বিশ্ববাসী, ছড়িয়ে পড়েছে এইচএমপিভি ভাইরাস!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • সর্বশেষ : ০৪:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১১৮ বার পঠিত
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: গত পাঁচ বছর আগে চীন থেকে সূত্রপাত হয়েছিল অদৃশ্য মহামারি করোনা ভাইরাসের যার প্রভাব বিশ্বজুড়ে মহামারীর রূপ ধারণ করেছিল। আবারো পাঁচ বছর পর চীন থেকে  তারই পুনরাবৃত্তি হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি। যদিও সংক্রমণ ব্যাধিটি বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের কাছে পূর্বের থেকে পরিচিত হলেও হঠাৎ করে চীন জাপান ও ভারতে ছড়িয়ে পড়ার কারণে রোগটি আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাইরাসটি ইতোমধ্য দেশের দোরগোড়ায়  পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে কর্নাটকে তিনটি শিশুর দেহে এই ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে ফলে সেখানকার চিকিৎসকরা ও অদৃশ্য মহামারী করোণা সংক্রমনের মতন দ্রুত বিস্তার হওয়ার আশঙ্কা করছে। যার কারণে আমাদের দেশেও এই ভাইরাসটি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশের চিকিৎসা অধিদপ্তরের বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ বলছেন যদিও আমাদের দেশে এই ভাইরাসটি পূর্বেও ধরা পড়েছে তবে চীন জাপান ও ভারতে ভাইরাসটির ধরন একটু ভিন্ন পরিলক্ষিত হচ্ছে তার ফলে রোগটি নিয়ে আমাদেরও দুশ্চিন্তা হচ্ছে। ভাইরাসটি চীন জাপান ভারতের পর  গতকাল মালয়েশিয়াতে বেশ কয়েকজনের দেহে এই রোগটির পজেটিভ চিহ্নিত হওয়ার পর পর বিশ্বজুড়ে  হইচই পড়ে গেছে, আর এতে করে সমগ্র বিশ্বব্যাপী  নতুন করে করোনা মহামারী রূপ ধারণ করছে কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ববাসী।পাশাপাশি পুনরায় লকডাউনের মতন কর্মসূচি আসবে কিনা তা নিয়েও চিন্তিত বিভিন্ন দেশের চিকিৎসা অধিদপ্তর। একই সাথে আমাদের দেশের একজন বিজ্ঞ স্বাস্থ্যবীদ উল্লেখ করেছেন ২০২০ সালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে মার্চ মাসে লকডাউন কার্যকর করা হয়। ভাইরাসের বিস্তার রোধে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার পর্যায়ক্রমে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। তখন থেকেই লকডাউন একটি পরিচিত ধারণায় পরিণত হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও ভারতে নতুন ভাইরাসের সংক্রমণের খবর জনমনে প্রশ্ন তুলেছে: ‘লকডাউন’ কি আবার ফিরে। আসবে সম্প্রতী চীনের হিউম্যান মেটাপনিমোভাইরাস (এইচএমপিভি) নামে একটি নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ভাইরাসটি দ্রুত গতিতে সংক্রমিত হচ্ছে এবং এর ফলে হাসপাতাল ও শ্মশানগুলোতে প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, চীনের হাসপাতালগুলোতে ভিড় বেড়েছে। একাধিক ভাইরাস, যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, এইচএমপিভি, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া এবং কোভিড-১৯ একসঙ্গে ছড়িয়ে পড়ার তথ্যও উঠে এসেছে। এ পরিস্থিতি করোনার ভয়াবহতা নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।চীনের কয়েকটি প্রদেশে এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। একই সাথে  এনডিটিভি জানিয়েছে, কর্ণাটকে তিনটি শিশুর দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বয়স দুই, তিন এবং আট মাস। এ ভাইরাসের উপসর্গ করোনার সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে। তিন মাস বয়সী শিশুটিকে ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং আট মাস বয়সী শিশুটি কর্ণাটকের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে দুই মাস বয়সী আরেকটি শিশুও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এই ঘটনাগুলো ভারতজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চীনে এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ কেবল স্থানীয় নয়, বরং বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশগুলো এখন নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারতে শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটি শিশু ও বয়স্কদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় আরও গবেষণা এবং সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।করোনাভাইরাস মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন ও ভারতে এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণের খবর থেকে আমরা সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারি। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার এবং স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোকে সময়মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে স্বাস্থ্য সচেতন ও পরিবেশ সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতন থাকাটা প্রতিটি জনগণের ক্ষেত্রে একান্তভাবে বাঞ্ছনীয়। অপরদিকে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বলেছেন এ বিষয়ে এতটা আতঙ্কিত না হয়ে বরং সতর্ক অবস্থানে করোনা ভাইরাস কালীন সময়ের পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সকল বিষয়ে প্রস্তুতি নেওটাই আমাদের জন্য একান্ত কাম্য।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

আল্লাহ তুমি আমাদের এই ব্রিজটি করার ব্যবস্থা করে দাও

আবারো লকডাউনের আতঙ্কে বিশ্ববাসী, ছড়িয়ে পড়েছে এইচএমপিভি ভাইরাস!

সর্বশেষ : ০৪:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: গত পাঁচ বছর আগে চীন থেকে সূত্রপাত হয়েছিল অদৃশ্য মহামারি করোনা ভাইরাসের যার প্রভাব বিশ্বজুড়ে মহামারীর রূপ ধারণ করেছিল। আবারো পাঁচ বছর পর চীন থেকে  তারই পুনরাবৃত্তি হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি। যদিও সংক্রমণ ব্যাধিটি বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের কাছে পূর্বের থেকে পরিচিত হলেও হঠাৎ করে চীন জাপান ও ভারতে ছড়িয়ে পড়ার কারণে রোগটি আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাইরাসটি ইতোমধ্য দেশের দোরগোড়ায়  পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে কর্নাটকে তিনটি শিশুর দেহে এই ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে ফলে সেখানকার চিকিৎসকরা ও অদৃশ্য মহামারী করোণা সংক্রমনের মতন দ্রুত বিস্তার হওয়ার আশঙ্কা করছে। যার কারণে আমাদের দেশেও এই ভাইরাসটি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশের চিকিৎসা অধিদপ্তরের বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ বলছেন যদিও আমাদের দেশে এই ভাইরাসটি পূর্বেও ধরা পড়েছে তবে চীন জাপান ও ভারতে ভাইরাসটির ধরন একটু ভিন্ন পরিলক্ষিত হচ্ছে তার ফলে রোগটি নিয়ে আমাদেরও দুশ্চিন্তা হচ্ছে। ভাইরাসটি চীন জাপান ভারতের পর  গতকাল মালয়েশিয়াতে বেশ কয়েকজনের দেহে এই রোগটির পজেটিভ চিহ্নিত হওয়ার পর পর বিশ্বজুড়ে  হইচই পড়ে গেছে, আর এতে করে সমগ্র বিশ্বব্যাপী  নতুন করে করোনা মহামারী রূপ ধারণ করছে কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ববাসী।পাশাপাশি পুনরায় লকডাউনের মতন কর্মসূচি আসবে কিনা তা নিয়েও চিন্তিত বিভিন্ন দেশের চিকিৎসা অধিদপ্তর। একই সাথে আমাদের দেশের একজন বিজ্ঞ স্বাস্থ্যবীদ উল্লেখ করেছেন ২০২০ সালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে মার্চ মাসে লকডাউন কার্যকর করা হয়। ভাইরাসের বিস্তার রোধে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার পর্যায়ক্রমে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। তখন থেকেই লকডাউন একটি পরিচিত ধারণায় পরিণত হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও ভারতে নতুন ভাইরাসের সংক্রমণের খবর জনমনে প্রশ্ন তুলেছে: ‘লকডাউন’ কি আবার ফিরে। আসবে সম্প্রতী চীনের হিউম্যান মেটাপনিমোভাইরাস (এইচএমপিভি) নামে একটি নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ভাইরাসটি দ্রুত গতিতে সংক্রমিত হচ্ছে এবং এর ফলে হাসপাতাল ও শ্মশানগুলোতে প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, চীনের হাসপাতালগুলোতে ভিড় বেড়েছে। একাধিক ভাইরাস, যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, এইচএমপিভি, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া এবং কোভিড-১৯ একসঙ্গে ছড়িয়ে পড়ার তথ্যও উঠে এসেছে। এ পরিস্থিতি করোনার ভয়াবহতা নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।চীনের কয়েকটি প্রদেশে এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। একই সাথে  এনডিটিভি জানিয়েছে, কর্ণাটকে তিনটি শিশুর দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বয়স দুই, তিন এবং আট মাস। এ ভাইরাসের উপসর্গ করোনার সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে। তিন মাস বয়সী শিশুটিকে ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং আট মাস বয়সী শিশুটি কর্ণাটকের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে দুই মাস বয়সী আরেকটি শিশুও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এই ঘটনাগুলো ভারতজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চীনে এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ কেবল স্থানীয় নয়, বরং বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশগুলো এখন নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারতে শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটি শিশু ও বয়স্কদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় আরও গবেষণা এবং সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।করোনাভাইরাস মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন ও ভারতে এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণের খবর থেকে আমরা সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারি। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার এবং স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোকে সময়মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে স্বাস্থ্য সচেতন ও পরিবেশ সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতন থাকাটা প্রতিটি জনগণের ক্ষেত্রে একান্তভাবে বাঞ্ছনীয়। অপরদিকে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বলেছেন এ বিষয়ে এতটা আতঙ্কিত না হয়ে বরং সতর্ক অবস্থানে করোনা ভাইরাস কালীন সময়ের পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সকল বিষয়ে প্রস্তুতি নেওটাই আমাদের জন্য একান্ত কাম্য।