ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
তাজা খবর
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা টঙ্গীতে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ রাজস্ব আদায় বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের নির্দেশনা

বন্দর পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সভায় বসেছে কর্তৃপক্ষ

নাগরিকভাবনা ডেস্ক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৩ বার পঠিত

নাগরিকভাবনা ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ এবং ধর্মঘটজনিত অচলাবস্থা নিরসনে এক জরুরি সভা আহ্বান করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য এই সভায় সভাপতিত্ব করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।

বন্দরের পরিচালন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা এবং চলমান অস্থিরতা মোকাবিলায় কার্যকর পথ খুঁজতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব স্বাক্ষরিত গত ৪ ফেব্রুয়ারির এক পত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ সভার কথা জানানো হয়।

সভায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, শ্রমিক নেতা এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বন্দর সচিবের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সচল রাখা, পণ্য খালাস ও লোডিং প্রক্রিয়ার স্থবিরতা দূর করা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণই হবে এই সভার মূল লক্ষ্য। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি–দাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভের ফলে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজছে কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট এলাকায় শ্রমিকদের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচির কারণে পণ্য হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে জেটিতে জাহাজ জট এবং ইয়ার্ডে পণ্যজট বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি সম্মানজনক সমাধান এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা আশা করছেন যে, এই জরুরি বৈঠক থেকে আসা কার্যকর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বন্দরে দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে।

বন্দর সূত্র জানায়, সভার আলোচনায় শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনার পাশাপাশি বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হতে পারে।

এছাড়া বন্দর এলাকায় সমাবেশ ও মিছিলের ওপর আরোপিত পুলিশের নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও প্রতিনিধিদের অবহিত করা হবে। সকল পক্ষ যদি নমনীয় অবস্থানে থেকে আলোচনায় অংশ নেয়, তবে পণ্য খালাস কার্যক্রমের স্থবিরতা দ্রুতই কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বন্দর পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সভায় বসেছে কর্তৃপক্ষ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাগরিকভাবনা ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ এবং ধর্মঘটজনিত অচলাবস্থা নিরসনে এক জরুরি সভা আহ্বান করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য এই সভায় সভাপতিত্ব করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।

বন্দরের পরিচালন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা এবং চলমান অস্থিরতা মোকাবিলায় কার্যকর পথ খুঁজতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব স্বাক্ষরিত গত ৪ ফেব্রুয়ারির এক পত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ সভার কথা জানানো হয়।

সভায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, শ্রমিক নেতা এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বন্দর সচিবের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সচল রাখা, পণ্য খালাস ও লোডিং প্রক্রিয়ার স্থবিরতা দূর করা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণই হবে এই সভার মূল লক্ষ্য। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি–দাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভের ফলে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজছে কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট এলাকায় শ্রমিকদের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচির কারণে পণ্য হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে জেটিতে জাহাজ জট এবং ইয়ার্ডে পণ্যজট বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি সম্মানজনক সমাধান এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা আশা করছেন যে, এই জরুরি বৈঠক থেকে আসা কার্যকর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বন্দরে দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে।

বন্দর সূত্র জানায়, সভার আলোচনায় শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনার পাশাপাশি বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হতে পারে।

এছাড়া বন্দর এলাকায় সমাবেশ ও মিছিলের ওপর আরোপিত পুলিশের নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও প্রতিনিধিদের অবহিত করা হবে। সকল পক্ষ যদি নমনীয় অবস্থানে থেকে আলোচনায় অংশ নেয়, তবে পণ্য খালাস কার্যক্রমের স্থবিরতা দ্রুতই কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।