ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক: ১-বছরের কারাদণ্ড

মোহাম্মদ ওয়াজেদ,বাঁশখালী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / ১৩ বার পঠিত
মোহাম্মদ ওয়াজেদ,বাঁশখালী:   চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালী (মান্নান পাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ এক কুখ্যাত মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ মে ২০২৬) ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে বাঁশখালী থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছনুয়া ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খুদুকখালী (মান্নান পাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ০৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সামগ্রীসহ মোঃ হেফাজ (২৯) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক হেফাজ মৃত আব্দুল মালেক বলীর ছেলে। তিনি ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালী (মান্নান পাড়া) এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পরে আটক ব্যক্তিকে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ০১ (এক) বছরের কারাদণ্ড এবং ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদকের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক: ১-বছরের কারাদণ্ড

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
মোহাম্মদ ওয়াজেদ,বাঁশখালী:   চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালী (মান্নান পাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ এক কুখ্যাত মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ মে ২০২৬) ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে বাঁশখালী থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছনুয়া ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খুদুকখালী (মান্নান পাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ০৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সামগ্রীসহ মোঃ হেফাজ (২৯) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক হেফাজ মৃত আব্দুল মালেক বলীর ছেলে। তিনি ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালী (মান্নান পাড়া) এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পরে আটক ব্যক্তিকে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ০১ (এক) বছরের কারাদণ্ড এবং ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদকের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।