ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২০ মে ২০২৬
তাজা খবর
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা টঙ্গীতে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ রাজস্ব আদায় বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের নির্দেশনা

আধুনিক ও জনবান্ধব মনোহরপুর ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে তরুণ মুখ মেহেদী হাসান সুমন

জেমস আব্দুর রহিম রানা,
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / ১০ বার পঠিত

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে নানা প্রতিশ্রুতি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৭ নং মনোহরপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তরুণ শিক্ষিত সমাজসেবক মো: মেহেদী হাসান (সুমন) জনমুখী নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, নাগরিক অধিকার ও আধুনিক সেবাব্যবস্থা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত তার নির্বাচনী ইশতেহার ইতোমধ্যে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: মেহেদী হাসান (সুমন) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে এরিয়া সেলস ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পিতা মো: শরিফুল ইসলাম গাজী ও মাতা আসমা বেগম।

“সমতা ও সেবায়, সবার পাশে” এবং “অধিকার নিয়ে ভয় নয়, এবার হবে জয়” নির্বাচনী স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “এই নির্বাচন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।”

তার ঘোষিত পরিকল্পনায় ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশন সনদসহ বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহজ ও দালালমুক্তভাবে প্রদানের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মেহেদী হাসান সুমন আমাদের প্রতিবেদক জেমস আব্দুর রহিম রানাকে বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ হবে মানুষের আস্থার জায়গা। কোনো ধরনের দুর্নীতি, হয়রানি বা দালালচক্রের সুযোগ থাকবে না। জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পরিষদ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘অভিযোগ বক্স’ স্থাপন এবং প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় সভা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া ইউনিয়নের আয়-ব্যয়ের হিসাব উন্মুক্তভাবে প্রকাশ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে উন্মুক্ত শুনানির ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, ভাঙা সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোলার ও বৈদ্যুতিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং স্থানীয় হাট-বাজারের উন্নয়নেও কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়নে একটি গণপাঠাগার ও আইসিটি সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। পাশাপাশি যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কম্পিউটার ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় “ইউনিয়ন শিক্ষা সুরক্ষা তহবিল” গঠনের পরিকল্পনার বিষয়টিও তুলে ধরেন।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু এবং মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রম জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মেহেদী হাসান সুমন।

কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে পরামর্শ এবং কৃষি সহায়তা কেন্দ্র গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে সেচ সংকট নিরসনে খাল খনন ও গভীর নলকূপ স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

নারী ও যুব উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি সেলাই, হস্তশিল্প, হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখার ওপর জোর দেন।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ সরকারি সব সুবিধা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হবে। ইউনিয়নকে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংমুক্ত রাখতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষিত ও তরুণ প্রার্থী হিসেবে মেহেদী হাসান সুমনের ঘোষিত পরিকল্পনা ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। বিশেষ করে স্বচ্ছতা, ডিজিটাল সেবা, জবাবদিহিতা ও যুব উন্নয়নভিত্তিক প্রতিশ্রুতিগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।

সবশেষে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে মো: মেহেদী হাসান (সুমন) বলেন,

“আমি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নই; আমি পুরো মনোহরপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রতিনিধি হতে চাই। সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে একটি আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আধুনিক ও জনবান্ধব মনোহরপুর ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে তরুণ মুখ মেহেদী হাসান সুমন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে নানা প্রতিশ্রুতি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৭ নং মনোহরপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তরুণ শিক্ষিত সমাজসেবক মো: মেহেদী হাসান (সুমন) জনমুখী নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, নাগরিক অধিকার ও আধুনিক সেবাব্যবস্থা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত তার নির্বাচনী ইশতেহার ইতোমধ্যে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: মেহেদী হাসান (সুমন) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে এরিয়া সেলস ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পিতা মো: শরিফুল ইসলাম গাজী ও মাতা আসমা বেগম।

“সমতা ও সেবায়, সবার পাশে” এবং “অধিকার নিয়ে ভয় নয়, এবার হবে জয়” নির্বাচনী স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “এই নির্বাচন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।”

তার ঘোষিত পরিকল্পনায় ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশন সনদসহ বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহজ ও দালালমুক্তভাবে প্রদানের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মেহেদী হাসান সুমন আমাদের প্রতিবেদক জেমস আব্দুর রহিম রানাকে বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ হবে মানুষের আস্থার জায়গা। কোনো ধরনের দুর্নীতি, হয়রানি বা দালালচক্রের সুযোগ থাকবে না। জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পরিষদ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘অভিযোগ বক্স’ স্থাপন এবং প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় সভা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া ইউনিয়নের আয়-ব্যয়ের হিসাব উন্মুক্তভাবে প্রকাশ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে উন্মুক্ত শুনানির ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, ভাঙা সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সোলার ও বৈদ্যুতিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং স্থানীয় হাট-বাজারের উন্নয়নেও কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়নে একটি গণপাঠাগার ও আইসিটি সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। পাশাপাশি যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কম্পিউটার ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় “ইউনিয়ন শিক্ষা সুরক্ষা তহবিল” গঠনের পরিকল্পনার বিষয়টিও তুলে ধরেন।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু এবং মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রম জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মেহেদী হাসান সুমন।

কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে পরামর্শ এবং কৃষি সহায়তা কেন্দ্র গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে সেচ সংকট নিরসনে খাল খনন ও গভীর নলকূপ স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

নারী ও যুব উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি সেলাই, হস্তশিল্প, হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখার ওপর জোর দেন।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ সরকারি সব সুবিধা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হবে। ইউনিয়নকে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংমুক্ত রাখতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষিত ও তরুণ প্রার্থী হিসেবে মেহেদী হাসান সুমনের ঘোষিত পরিকল্পনা ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। বিশেষ করে স্বচ্ছতা, ডিজিটাল সেবা, জবাবদিহিতা ও যুব উন্নয়নভিত্তিক প্রতিশ্রুতিগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।

সবশেষে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে মো: মেহেদী হাসান (সুমন) বলেন,

“আমি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নই; আমি পুরো মনোহরপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রতিনিধি হতে চাই। সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে একটি আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”