
জাহিদ হাসান,বান্দরবান
লামা বন বিভাগের ডলুছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন সরই বন বিট এলাকায় সশস্ত্র পাহাড়ী-বাঙ্গালী সন্ত্রাসীদের নেতৃত্বে গঠিত সিন্ডিকেট গত এক মাসে কোটি টাকার মূল্যের গাছ লুট করেছে। লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের টংঙ্গঝিরি এলাকায় ব্যক্তিমালিকাধীন বাগানের এই সব কাঠ একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রুফ দিনরাত গাছ কেটে গাড়ি যোগে সড়ক পথে লোহাগাড়ায় পাচার করে চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গাছ লুটতরাজে পাহাড়ী সন্ত্রাসী ও স্থানীয় কয়েকজন অপাহাড়ি গাছ ব্যবসায়ী জড়িত বলে জানাযায়। এই পাচার কাজে সরই বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে সিন্ডিকেট গঠন করা হয়েছে বলেও জানাযায়। গাছ লুটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরই এলাকায় পাহাড়ি বাঙ্গালি সংঘর্ষসহ আইনশৃঙ্গলার অবনতির আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
দশেরে পট পরিবর্তনের পর গঠিত সিন্ডিকেট সুযোগ বুঝে পাহাড়ী শ্রমিক ব্যবহার করে গাছ কর্তন করে সড়ক যোগে পাচার করেছে। পুলিশসহ আইন শৃঙ্গলা বাহিনীর নিকট অভিযোগ দেওয়ার পরও গাছ লুটকারী চক্র বাগান কর্তন করে গাছ পাচার বন্ধ করেনি উপরন্ত আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জানাযায়, গাছ লুট করার স্বার্থে বিভিন্ন মহলকে পাচারকারী চক্র বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করেছে। বুধবার গভীর রাতে বন বিভাগের বিশেষ টহল দল টঙ্গঝিরি এলাকা থেকে পাচারকালে একটি কাঠ ভর্তি পিকআপ জব্ধ করেছে। জব্দকৃত পিকআপের মালিক টঙ্গঝিরি এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে শেখ আহাম্মদ প্রকাশ গুন্নু।
লামা বন বিভাগের স্পেশাল টিমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংবাদ পেয়ে অভিযান চালিয়ে পাচারকালে কাঠবতরতী পিকআপ যার নং ঢাকা ল-২১৮ জব্দকরা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বন কতৃপক্ষ । সরেজমিনে পরিদর্শনে জানাযায়, অবৈধভাবে কাঠ পাচারকারী সিন্ডিকেট টঙ্গঝিরি ও আশপাশ এলাকার প্রায় একশত একর জায়গার মূল্যবান কাঠ কর্তন করে পাচার করেছে। স্থানীয় কেয়াজুপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি আইসিসহ পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গমন করেও সন্ত্রাসীদের কর্তক গাছ কাটা বন্ধ করতে পারে নি এবং কাউকে আইনের আওতায় আনা হয় নাই। ক্ষতিগ্রস্থ বাগাস মালিক পক্ষ জানান, আইনশৃঙ্গখলা বাহিনীর দায়সারা অভিযানের কারণে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা লাগামহীন অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনায় সরই বিট কর্মকর্তা ফরেস্টার তানবির আহমদ বক্তব্য চেষ্টা করেও নেওয়া সম্ভব হয়নি। ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন, টঙ্গঝিরি এলাকার গাছ লুটের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে, লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, অবৈধভাবে গাছ পাচার এর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















