ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
তাজা খবর
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা টঙ্গীতে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ রাজস্ব আদায় বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের নির্দেশনা

মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ব: বিরোধীদলীয় নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:  

মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে, স্বার্থ বিনষ্ট হলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা এই সংসদে এসে মুখোমুখি অবস্থানে থেকে সংসদকে উত্তপ্ত করে আমরা কোনো সংকট সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এখানে আসিনি। আমরা প্রথম দিনই বলেছি, আমাদের ভূমিকা হবে গঠনমূলক দেশের স্বার্থে জাতির স্বার্থে। যে জায়গায় সরকারি দল ভালো উদ্যোগ নেবে আমরা সমর্থন দেব, সহযোগিতা দেব প্রয়োজনে; কিন্তু যদি দেশের মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, স্বার্থ বিনষ্ট হয়, তাহলে আমরা সেখানে কিন্তু প্রতিবাদ করব, বাধা দেব, প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ব।’

মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশন শেষে রাতে বিরোধীদলীয় নেতার প্রেস ব্রিফিংয়ে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এই ব্রিফিং হয়। এ সময় শফিকুর রহমানের পাশে ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

ব্রিফিংয়ে সরকারি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ৬৮ ভাগ মানুষ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই সরকারি দল যেন গণরায়কে সম্মান জানায়। এর মাধ্যমে তারাও সম্মানিত হবেন। সবাই মিলে গণভোটকে সম্মান দিলে সংসদ সম্মানিত হবে।

সংসদে সরকারি দলের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, সংস্কার পরিষদ এবং পরিষদের সভা আহ্বান–সংক্রান্ত নোটিশকে কেন্দ্র করে কোনো সংস্কারবিষয়ক কমিটি গঠন করা হলে বিরোধী দল এটাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার সুযোগ আছে। তবে শর্ত হচ্ছে, সেখানে উভয় পক্ষ (সরকারি দল ও বিরোধী দল) থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকতে হবে। তা করা না হলে এই কমিটি থেকে ভালো কিছু আশা করা যাবে না।

সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে পুরো প্রক্রিয়াটা…কোনো বিপ্লব কোনো গণ–অভ্যুত্থান কোনো সংবিধানের অধীন হয় না। এটা জনগণের ইচ্ছায় হয়, আকাঙ্ক্ষায় হয়। ২ নম্বর হচ্ছে যে এটার পরে সংবিধানের অনেক কিছু ছাড়াই এ পর্যন্ত আমরা এসেছি। ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের কোনো প্রভিশন (বিধান) নেই। অনেক কিছু, আইনের অনেক ব্যত্যয় ঘটিয়েই আমরা এই জায়গায় এসেছি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ব: বিরোধীদলীয় নেতা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:  

মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে, স্বার্থ বিনষ্ট হলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা এই সংসদে এসে মুখোমুখি অবস্থানে থেকে সংসদকে উত্তপ্ত করে আমরা কোনো সংকট সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এখানে আসিনি। আমরা প্রথম দিনই বলেছি, আমাদের ভূমিকা হবে গঠনমূলক দেশের স্বার্থে জাতির স্বার্থে। যে জায়গায় সরকারি দল ভালো উদ্যোগ নেবে আমরা সমর্থন দেব, সহযোগিতা দেব প্রয়োজনে; কিন্তু যদি দেশের মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, স্বার্থ বিনষ্ট হয়, তাহলে আমরা সেখানে কিন্তু প্রতিবাদ করব, বাধা দেব, প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ব।’

মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশন শেষে রাতে বিরোধীদলীয় নেতার প্রেস ব্রিফিংয়ে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এই ব্রিফিং হয়। এ সময় শফিকুর রহমানের পাশে ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

ব্রিফিংয়ে সরকারি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ৬৮ ভাগ মানুষ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই সরকারি দল যেন গণরায়কে সম্মান জানায়। এর মাধ্যমে তারাও সম্মানিত হবেন। সবাই মিলে গণভোটকে সম্মান দিলে সংসদ সম্মানিত হবে।

সংসদে সরকারি দলের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, সংস্কার পরিষদ এবং পরিষদের সভা আহ্বান–সংক্রান্ত নোটিশকে কেন্দ্র করে কোনো সংস্কারবিষয়ক কমিটি গঠন করা হলে বিরোধী দল এটাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার সুযোগ আছে। তবে শর্ত হচ্ছে, সেখানে উভয় পক্ষ (সরকারি দল ও বিরোধী দল) থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকতে হবে। তা করা না হলে এই কমিটি থেকে ভালো কিছু আশা করা যাবে না।

সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে পুরো প্রক্রিয়াটা…কোনো বিপ্লব কোনো গণ–অভ্যুত্থান কোনো সংবিধানের অধীন হয় না। এটা জনগণের ইচ্ছায় হয়, আকাঙ্ক্ষায় হয়। ২ নম্বর হচ্ছে যে এটার পরে সংবিধানের অনেক কিছু ছাড়াই এ পর্যন্ত আমরা এসেছি। ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের কোনো প্রভিশন (বিধান) নেই। অনেক কিছু, আইনের অনেক ব্যত্যয় ঘটিয়েই আমরা এই জায়গায় এসেছি।’