ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
তাজা খবর
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা টঙ্গীতে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ রাজস্ব আদায় বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের নির্দেশনা
২৮ বিচারকের শোকজ নিয়ে হাসনাতের পোস্ট

পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে

নাগরিকভাবনা ডেস্ক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৫৭ বার পঠিত

নাগরিকভাবনা ডেস্ক:   বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে শোকজ করে আইন মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে শোকজের চিঠি দেওয়া হয়। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে নিয়ে বুধবার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

হাসনাত বলেন, ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন। এ জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

তিনি আরও বলেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার- ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন’।

এনসিপির এই এমপি বলেন, ৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এ ধরনের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়।

বিচারকদের শোকজের বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় না, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে।

বিচারকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এই জুলাইযোদ্ধা। তিনি বলেন, বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

২৮ বিচারকের শোকজ নিয়ে হাসনাতের পোস্ট

পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

নাগরিকভাবনা ডেস্ক:   বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে শোকজ করে আইন মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে শোকজের চিঠি দেওয়া হয়। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে নিয়ে বুধবার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

হাসনাত বলেন, ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন। এ জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

তিনি আরও বলেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার- ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন’।

এনসিপির এই এমপি বলেন, ৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এ ধরনের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়।

বিচারকদের শোকজের বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় না, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে।

বিচারকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এই জুলাইযোদ্ধা। তিনি বলেন, বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।