, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬: সৃজনশীল প্রকাশনী কারুবাকের পান্ডুলিপি পুরস্কার ঘোষণা

ঢাকা: অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর আগেই দেশের সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল সৃজনশীল প্রকাশনী সংস্থা কারুবাক। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে তাদের বার্ষিক পান্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৬, যা এই বছরের প্রতিযোগিতায় পাঠানো পান্ডুলিপিগুলোর মধ্যে সেরা এবং প্রকাশযোগ্য রচনাগুলোকে স্বীকৃতি দেয়।
কারুবাক জানিয়েছে, প্রতিযোগিতায় জমা হওয়া প্রায় সব রচনা মানসম্পন্ন এবং প্রকাশযোগ্য। তবে ব্যবসায়িক দিক এবং পাঠকপ্রিয়তার সম্ভাবনা বিবেচনা করে নির্বাচিত হয়েছে ২২টি পান্ডুলিপি। এর মধ্যে দৈনিক নাগরিক ভাবনা ও দি কান্ট্রি টুডে পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক জেমস আব্দুর রহিম রানা সহ সাতজনকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি তিনজনকে বইমেলায় বিক্রির ভিত্তিতে বেস্টসেলার হিসেবে চূড়ান্ত করা হবে।
বিজয়ীদের তালিকা:
সৃজনশীল সাহিত্য: আশরাফ পিন্টু – টু দ্যা ফিউচার ওয়ার্ল্ড।
প্রবন্ধ/নিবন্ধ: আবদুল মাজেদ – জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা: একটি ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ।
থ্রিলার: আখতার ইসলাম – ভূতের বাড়ি ভুতুমপুর।
মোটিভেশনাল: আবদুল আজিজ রাজ – আত্মবিশ্বাসের অনুশীলন।
শিশু/কিশোর: রমজান মাহমুদ – ছড়া।
ইসলামি: করি কাঞ্চন – যে পথে আলো আসে।
বিবিধ: জেমস আব্দুর রহিম রানা – সাংবাদিকতার হাতেখড়ি: সংবাদ লেখার কলাকৌশল।
এছাড়াও, বিশেষভাবে নির্বাচিত পান্ডুলিপির তালিকায় রয়েছে উলন পালের বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতি, এস ডি সুব্রতের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর শিক্ষা ভাবনা, এম আই শেখের বিলেতের নীলপরী এবং এইচএম জাকিরের অলিখিত জবানবন্দি, যা পাঠকদের জন্য নতুন দৃষ্টিকোণ এবং সমৃদ্ধ সাহিত্য উপহার দিতে চলেছে।
কারুবাক জানিয়েছে, এবারের বইমেলায় প্রকাশের জন্য তারা বেছে নিয়েছে আরও ১৫টি বই। তার মধ্যে রয়েছে: নিশাত সারিমিন জেসমিনের বর্ণমালার বায়স্কেপা, ফারুকুল ইসলামের মাটির ঘ্রাণ, শ. ম ওহিদুজ্জামানের লাল মলাট রহস্য, তানজিম আহমেদ আদনানের তুরুণ প্রজন্ম ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেতনা এবং ফাতিমা নাহার বানুর চাওয়া পাওয়ার অনুরাগে। এছাড়া, গল্প, ছড়া, কাব্যগ্রন্থ ও থ্রিলারের নানা রূপও পাঠকের হাতে পৌঁছাবে।
প্রকাশকরা জানিয়েছেন, যারা এই তালিকায় নেই বা যোগাযোগ সম্ভব হয়নি, তারা চাইলে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর 01988579448-এ যোগাযোগ করতে পারেন। এটি নতুন লেখকদের জন্য প্রকাশনার সুযোগের একটি সৃজনশীল দ্বার উন্মোচন করছে। সাহিত্যপ্রেমীরা আশাবাদী, এই পদক্ষেপ নতুন ও উদীয়মান লেখকদের জন্য এক বড় প্রেরণা হবে। অমর একুশে বইমেলায় কারুবাকের প্রকাশিত বইগুলো পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা প্রকাশক এবং পাঠক উভয়ের।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬: সৃজনশীল প্রকাশনী কারুবাকের পান্ডুলিপি পুরস্কার ঘোষণা

সর্বশেষ : ০৪:৩১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকা: অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর আগেই দেশের সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল সৃজনশীল প্রকাশনী সংস্থা কারুবাক। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে তাদের বার্ষিক পান্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৬, যা এই বছরের প্রতিযোগিতায় পাঠানো পান্ডুলিপিগুলোর মধ্যে সেরা এবং প্রকাশযোগ্য রচনাগুলোকে স্বীকৃতি দেয়।
কারুবাক জানিয়েছে, প্রতিযোগিতায় জমা হওয়া প্রায় সব রচনা মানসম্পন্ন এবং প্রকাশযোগ্য। তবে ব্যবসায়িক দিক এবং পাঠকপ্রিয়তার সম্ভাবনা বিবেচনা করে নির্বাচিত হয়েছে ২২টি পান্ডুলিপি। এর মধ্যে দৈনিক নাগরিক ভাবনা ও দি কান্ট্রি টুডে পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক জেমস আব্দুর রহিম রানা সহ সাতজনকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি তিনজনকে বইমেলায় বিক্রির ভিত্তিতে বেস্টসেলার হিসেবে চূড়ান্ত করা হবে।
বিজয়ীদের তালিকা:
সৃজনশীল সাহিত্য: আশরাফ পিন্টু – টু দ্যা ফিউচার ওয়ার্ল্ড।
প্রবন্ধ/নিবন্ধ: আবদুল মাজেদ – জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা: একটি ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ।
থ্রিলার: আখতার ইসলাম – ভূতের বাড়ি ভুতুমপুর।
মোটিভেশনাল: আবদুল আজিজ রাজ – আত্মবিশ্বাসের অনুশীলন।
শিশু/কিশোর: রমজান মাহমুদ – ছড়া।
ইসলামি: করি কাঞ্চন – যে পথে আলো আসে।
বিবিধ: জেমস আব্দুর রহিম রানা – সাংবাদিকতার হাতেখড়ি: সংবাদ লেখার কলাকৌশল।
এছাড়াও, বিশেষভাবে নির্বাচিত পান্ডুলিপির তালিকায় রয়েছে উলন পালের বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতি, এস ডি সুব্রতের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর শিক্ষা ভাবনা, এম আই শেখের বিলেতের নীলপরী এবং এইচএম জাকিরের অলিখিত জবানবন্দি, যা পাঠকদের জন্য নতুন দৃষ্টিকোণ এবং সমৃদ্ধ সাহিত্য উপহার দিতে চলেছে।
কারুবাক জানিয়েছে, এবারের বইমেলায় প্রকাশের জন্য তারা বেছে নিয়েছে আরও ১৫টি বই। তার মধ্যে রয়েছে: নিশাত সারিমিন জেসমিনের বর্ণমালার বায়স্কেপা, ফারুকুল ইসলামের মাটির ঘ্রাণ, শ. ম ওহিদুজ্জামানের লাল মলাট রহস্য, তানজিম আহমেদ আদনানের তুরুণ প্রজন্ম ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেতনা এবং ফাতিমা নাহার বানুর চাওয়া পাওয়ার অনুরাগে। এছাড়া, গল্প, ছড়া, কাব্যগ্রন্থ ও থ্রিলারের নানা রূপও পাঠকের হাতে পৌঁছাবে।
প্রকাশকরা জানিয়েছেন, যারা এই তালিকায় নেই বা যোগাযোগ সম্ভব হয়নি, তারা চাইলে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর 01988579448-এ যোগাযোগ করতে পারেন। এটি নতুন লেখকদের জন্য প্রকাশনার সুযোগের একটি সৃজনশীল দ্বার উন্মোচন করছে। সাহিত্যপ্রেমীরা আশাবাদী, এই পদক্ষেপ নতুন ও উদীয়মান লেখকদের জন্য এক বড় প্রেরণা হবে। অমর একুশে বইমেলায় কারুবাকের প্রকাশিত বইগুলো পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা প্রকাশক এবং পাঠক উভয়ের।