ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

উত্তরবঙ্গ এখনো বঞ্চনার শিকার: শফিকুর রহমান

রাসেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / ১৭ বার পঠিত

রাসেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি:   স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উত্তরাঞ্চলের মানুষ আজও ন্যূনতম অধিকার থেকে বঞ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির । শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় উত্তরবঙ্গ এখনো সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোর একটি। রাজধানী থেকে দূরের জেলাগুলো উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা থেকে ক্রমাগত বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে তিস্তাপাড়ের মানুষ বছরের পর বছর নদীভাঙন, পানিসংকট ও কৃষি দুর্ভোগের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

শফিকুর রহমান বলেন, একসময় উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো ছিল আশীর্বাদ, কিন্তু পরিকল্পনার অভাব ও অব্যবস্থাপনার কারণে আজ তা মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীতে পলি ও বালু জমে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় বর্ষায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়, আর শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সেচের পানির জন্য চরম সংকটে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং সে জন্য তিনি প্রশংসার দাবিদার। তবে দীর্ঘ সময় ধরে উত্তরবঙ্গকে সামগ্রিক উন্নয়ন থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, “আল্লাহ তাআলা সুযোগ দিলে তিস্তা থেকেই উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে ইনশা আল্লাহ। তিস্তাপাড় ও নদীভাঙন কবলিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা কমাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।”

তিনি দাবি করেন, তিস্তা ইস্যুতে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

উত্তরবঙ্গ এখনো বঞ্চনার শিকার: শফিকুর রহমান

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

রাসেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি:   স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উত্তরাঞ্চলের মানুষ আজও ন্যূনতম অধিকার থেকে বঞ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির । শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় উত্তরবঙ্গ এখনো সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোর একটি। রাজধানী থেকে দূরের জেলাগুলো উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা থেকে ক্রমাগত বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে তিস্তাপাড়ের মানুষ বছরের পর বছর নদীভাঙন, পানিসংকট ও কৃষি দুর্ভোগের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

শফিকুর রহমান বলেন, একসময় উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো ছিল আশীর্বাদ, কিন্তু পরিকল্পনার অভাব ও অব্যবস্থাপনার কারণে আজ তা মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীতে পলি ও বালু জমে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় বর্ষায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়, আর শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সেচের পানির জন্য চরম সংকটে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং সে জন্য তিনি প্রশংসার দাবিদার। তবে দীর্ঘ সময় ধরে উত্তরবঙ্গকে সামগ্রিক উন্নয়ন থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, “আল্লাহ তাআলা সুযোগ দিলে তিস্তা থেকেই উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে ইনশা আল্লাহ। তিস্তাপাড় ও নদীভাঙন কবলিত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা কমাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।”

তিনি দাবি করেন, তিস্তা ইস্যুতে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।