ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

রাণীশংকৈলে গ্রীষ্মকালীন উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফুলকপি প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / ৫ বার পঠিত
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফুলকপি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দিনাজপুর অঞ্চলে “টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। সোমবার (১৪ মে) বিকেলে উপজেলার রাউতনগর গ্রামে মালিক-৫০ জাতের গ্রীষ্মকালীন ফুলকপির প্রদর্শনী প্লটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাউতনগর গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও খামারবাড়ির জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শামীমা নাজনীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর অঞ্চলের মনিটরিং ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা আরিফ আফজাল এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয় রায়, চিত্র মোহন রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রীষ্মকালীন নিরাপদ সবজি চাষ কৃষকদের অধিক লাভবান করার পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষিকে আরও টেকসই ও লাভজনক করা সম্ভব বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

রাণীশংকৈলে গ্রীষ্মকালীন উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফুলকপি প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফুলকপি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দিনাজপুর অঞ্চলে “টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। সোমবার (১৪ মে) বিকেলে উপজেলার রাউতনগর গ্রামে মালিক-৫০ জাতের গ্রীষ্মকালীন ফুলকপির প্রদর্শনী প্লটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাউতনগর গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও খামারবাড়ির জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শামীমা নাজনীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর অঞ্চলের মনিটরিং ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা আরিফ আফজাল এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয় রায়, চিত্র মোহন রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রীষ্মকালীন নিরাপদ সবজি চাষ কৃষকদের অধিক লাভবান করার পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষিকে আরও টেকসই ও লাভজনক করা সম্ভব বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।