ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
তাজা খবর
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা টঙ্গীতে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ রাজস্ব আদায় বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের নির্দেশনা
নেপথ্যে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

৭ দিনের মাথায় এসপি রিয়াজুল প্রত্যাহার

সঞ্জয় মালাকার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / ১০ বার পঠিত
সঞ্জয় মালাকার:   নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ১০ দিন এবং কর্মস্থলে যোগদানের মাত্র ৭ দিনের মাথায় মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রিয়াজুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে, ২০২৬) পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক জরুরি আদেশে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি জেলাজুড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আদেশ ও প্রত্যাহারের সময়সীমা:
আইজিপির স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ (অধস্তন) কর্মকর্তার কাছে অবিলম্বে দায়িত্বভার অর্পণ করে ১৬ মে (শনিবার) এর মধ্যে সশরীরে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করবেন। আজ সকাল থেকেই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ:
গত ৫ মে (২০২৬) দেশের ১২টি জেলার পুলিশ সুপার পদে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়। সেই আদেশে মো. রিয়াজুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৮ মে (শুক্রবার) সকালে তিনি মৌলভীবাজার জেলায় এসে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।
প্রত্যাহারের নেপথ্য কারণ ও বিতর্ক:
সরকারি আদেশে প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা না হলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আলোচনা থেকে জানা যায়, সম্প্রতি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে বদলি হওয়ার অভিযোগ ওঠে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হয়, “আড়াই কোটি টাকার চুক্তি”র মাধ্যমে তিনি মৌলভীবাজারের এসপি পদটি বাগিয়ে নিয়েছিলেন এবং চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে যায়। এই বিতর্ক দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স দ্রুত তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে’র রদবদলের পর বিতর্ক তৈরি হওয়ায় এ নিয়ে মোট ৩ জন এসপিকে প্রত্যাহার করা হলো। এর আগে গত ৯ মে পৃথক আদেশে ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান ও পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে একইভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. রিয়াজুল ইসলামের সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা আদেশ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নেপথ্যে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

৭ দিনের মাথায় এসপি রিয়াজুল প্রত্যাহার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
সঞ্জয় মালাকার:   নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ১০ দিন এবং কর্মস্থলে যোগদানের মাত্র ৭ দিনের মাথায় মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রিয়াজুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে, ২০২৬) পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক জরুরি আদেশে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি জেলাজুড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আদেশ ও প্রত্যাহারের সময়সীমা:
আইজিপির স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ (অধস্তন) কর্মকর্তার কাছে অবিলম্বে দায়িত্বভার অর্পণ করে ১৬ মে (শনিবার) এর মধ্যে সশরীরে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করবেন। আজ সকাল থেকেই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ:
গত ৫ মে (২০২৬) দেশের ১২টি জেলার পুলিশ সুপার পদে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়। সেই আদেশে মো. রিয়াজুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৮ মে (শুক্রবার) সকালে তিনি মৌলভীবাজার জেলায় এসে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।
প্রত্যাহারের নেপথ্য কারণ ও বিতর্ক:
সরকারি আদেশে প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা না হলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আলোচনা থেকে জানা যায়, সম্প্রতি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে বদলি হওয়ার অভিযোগ ওঠে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হয়, “আড়াই কোটি টাকার চুক্তি”র মাধ্যমে তিনি মৌলভীবাজারের এসপি পদটি বাগিয়ে নিয়েছিলেন এবং চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে যায়। এই বিতর্ক দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স দ্রুত তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে’র রদবদলের পর বিতর্ক তৈরি হওয়ায় এ নিয়ে মোট ৩ জন এসপিকে প্রত্যাহার করা হলো। এর আগে গত ৯ মে পৃথক আদেশে ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান ও পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে একইভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. রিয়াজুল ইসলামের সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা আদেশ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।