, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ৬-দফা দাবিতে লালপুরে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে নিষিদ্ধ আ.লীগের চার নেতা গ্রেফতার গৌরীপুরে খাদ্য গুদাম নির্মাণ কাজে চরম স্থবিরতা অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল সহকর্মীর হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হলেন শিক্ষিকা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেফতার ৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা বর্ণাঢ্য আয়োজন ৭১ টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেশবিরোধী অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

মার্চ ফর গাজা এই প্রতিবাদের ঢেউ সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে

  • মিনহাজ মোল্লা
  • সর্বশেষ : ০১:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৪৯ বার পঠিত

ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঢাকায় জনস্রোত: ইতিহাসের সাক্ষী বাংলাদেশ ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, গাজায় গণহত্যা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মাটিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের জন্ম হলো। রাজধানী ঢাকার রাজপথে লক্ষাধিক মানুষের পদচারণায় অনুষ্ঠিত হলো’ মার্চ ফর গাজা’। একটাই স্লোগান—”গাজা মুক্ত করো, বর্বরতা থামাও!” এই জনস্রোত ছিল না কোনো দলীয় পতাকায় বিভক্ত, ছিল না কোনো স্বার্থপর রাজনৈতিক হিসেব। এখানে ছিল কেবল একটাই রং—মানবতার রক্তরাঙা চেতনা। ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, পথশিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মানুষ—সবাই এককাতারে দাঁড়িয়েছে গাজার জন্য।

এই প্রতিবাদের ঢেউ সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) লিখেছে:”বাংলাদেশের রাজধানীতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রায় ১,০০,০০০ লোকের সমাবেশ”—এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়, এটি একেকটি বিবেকবান হৃদয়ের চিৎকার। আল জাজিরা, “ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিশা পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে”—এই প্রতিবাদ এখন ঢাকার প্রতীক। বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-“গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে”— বিশ্ব দেখছে জনগণের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর।

দ্য গার্ডিয়ান বলেছে “গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে”— গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষের নৈতিক সাহস। এছাড়াও রয়টার্স, সিএনএন, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, আল আরাবিয়া, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

সহ বহু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই প্রতিবাদকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

এই বিক্ষোভ যেন এক নীরব পৃথিবীকে সরব করে বলে দিল—”নৃশংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কোনো একক ধর্ম বা রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়। এটি মানবতার অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন।” বাংলাদেশ জানিয়ে দিল—আমরা নীরব নই।

আমার দৃষ্টিভঙ্গি: গাজার প্রশ্নে মানবিক অবস্থান নেওয়া কেবল মুসলিম বিশ্বের দায়িত্ব নয়, বরং পৃথিবীর প্রতিটি বিবেকবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের আজকের এই প্রতিবাদ একদিন ইতিহাস হবে। আর এই ইতিহাস বলবে—যখন মানবতা রক্তাক্ত ছিল, তখন বাংলাদেশ চুপ ছিল না।

আরও খবর :
জনপ্রিয়

জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা

মার্চ ফর গাজা এই প্রতিবাদের ঢেউ সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে

সর্বশেষ : ০১:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঢাকায় জনস্রোত: ইতিহাসের সাক্ষী বাংলাদেশ ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, গাজায় গণহত্যা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মাটিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের জন্ম হলো। রাজধানী ঢাকার রাজপথে লক্ষাধিক মানুষের পদচারণায় অনুষ্ঠিত হলো’ মার্চ ফর গাজা’। একটাই স্লোগান—”গাজা মুক্ত করো, বর্বরতা থামাও!” এই জনস্রোত ছিল না কোনো দলীয় পতাকায় বিভক্ত, ছিল না কোনো স্বার্থপর রাজনৈতিক হিসেব। এখানে ছিল কেবল একটাই রং—মানবতার রক্তরাঙা চেতনা। ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, পথশিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মানুষ—সবাই এককাতারে দাঁড়িয়েছে গাজার জন্য।

এই প্রতিবাদের ঢেউ সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) লিখেছে:”বাংলাদেশের রাজধানীতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রায় ১,০০,০০০ লোকের সমাবেশ”—এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়, এটি একেকটি বিবেকবান হৃদয়ের চিৎকার। আল জাজিরা, “ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিশা পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে”—এই প্রতিবাদ এখন ঢাকার প্রতীক। বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-“গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে”— বিশ্ব দেখছে জনগণের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর।

দ্য গার্ডিয়ান বলেছে “গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে”— গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষের নৈতিক সাহস। এছাড়াও রয়টার্স, সিএনএন, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, আল আরাবিয়া, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

সহ বহু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই প্রতিবাদকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

এই বিক্ষোভ যেন এক নীরব পৃথিবীকে সরব করে বলে দিল—”নৃশংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কোনো একক ধর্ম বা রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়। এটি মানবতার অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন।” বাংলাদেশ জানিয়ে দিল—আমরা নীরব নই।

আমার দৃষ্টিভঙ্গি: গাজার প্রশ্নে মানবিক অবস্থান নেওয়া কেবল মুসলিম বিশ্বের দায়িত্ব নয়, বরং পৃথিবীর প্রতিটি বিবেকবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের আজকের এই প্রতিবাদ একদিন ইতিহাস হবে। আর এই ইতিহাস বলবে—যখন মানবতা রক্তাক্ত ছিল, তখন বাংলাদেশ চুপ ছিল না।