, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

নীলফামারীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

নীলফামারী জেলায় আজ পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী এবং অপরজন একজন তরুণপ্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকালে সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কের কলাবাগান এলাকায়।
ইটভাটার কাজ শেষে ফেরার পথে নূর ইসলাম (৪৮) ও মাসুদ হোসেন (২৫) নামের দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শ্যামলী পরিবহনের একটি নৈশ কোচ ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। কোচটি দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেলটিকে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।নিহত মাসুদ হোসেন সৈয়দপুর উপজেলার দলুয়া মুন্সিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বুদারু মাহমুদের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি ইটভাটায় ফায়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নূর ইসলামও একই ভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক কোচ ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করেছে। চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শ্যামলী পরিবহনের ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতের উদ্ধারের পর বাসটি আটক করা হলেও এর চালক পালিয়ে যায়। তবে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

নীলফামারীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

সর্বশেষ : ০৪:৩৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
নীলফামারী জেলায় আজ পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী এবং অপরজন একজন তরুণপ্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকালে সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কের কলাবাগান এলাকায়।
ইটভাটার কাজ শেষে ফেরার পথে নূর ইসলাম (৪৮) ও মাসুদ হোসেন (২৫) নামের দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শ্যামলী পরিবহনের একটি নৈশ কোচ ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। কোচটি দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেলটিকে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।নিহত মাসুদ হোসেন সৈয়দপুর উপজেলার দলুয়া মুন্সিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বুদারু মাহমুদের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি ইটভাটায় ফায়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নূর ইসলামও একই ভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক কোচ ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করেছে। চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শ্যামলী পরিবহনের ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতের উদ্ধারের পর বাসটি আটক করা হলেও এর চালক পালিয়ে যায়। তবে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।