, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ৬-দফা দাবিতে লালপুরে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে নিষিদ্ধ আ.লীগের চার নেতা গ্রেফতার গৌরীপুরে খাদ্য গুদাম নির্মাণ কাজে চরম স্থবিরতা অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল সহকর্মীর হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হলেন শিক্ষিকা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেফতার ৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা বর্ণাঢ্য আয়োজন ৭১ টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেশবিরোধী অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

বিশ্বশান্তি কামনায় রঘুনাথপুর রক্ষিত ২৮৮ তম দোল উৎসব পালন

রক্ষিত বাড়ির বংশধরেরা পূর্ব পুরুষের পালন করা দোল উৎসব এখনো পালন করে আসছেন। দোল উৎসব এলাকার হিন্দু মুসলিমের  সম্প্রীতির  এক মিলন বন্ধন।  রক্ষিত বাড়ির পূর্বপুরুষের তৈরি করা পিতলের তৈরি রাধা গোবিন্দের মূর্তি দিয়ে রক্ষিত বাড়ির বংশধরেরা দোল উৎসব পালন করছেন। রক্ষিত বাড়ির বর্তমান বংশধর যারা দোলের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে তারা হলেন প্রবীর কুমার রক্ষিত, আনন্দ মোহন রক্ষিত, উৎপল কুমার রক্ষিত, বিপুল কুমার রক্ষিত, মন্তোষ কুমার রক্ষিত।  ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।  পূর্ণিমা তিথি বৃহস্পতিবার ১০ টা ৫২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড পর্যন্ত পূর্নিমা শুক্রবার ১২টা ৪ মিনিট ১১ সেকেন্ড পর্যন্ত পরে প্রতিপদ, দোল পূর্নিমার উপবাস।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার প্রিয় গোপী, রাধার প্রেমের চিরন্তন বন্ধন কে ধরে রাখার জন্য প্রাচীন কাল থেকেই দোল উৎসব পালন করে আসছেন। দোল পূর্নিমার দিন শ্রীকৃষ্ণ আবির নিয়ে শ্রীরাধা ও গোপিদের সাথে নিয়ে রঙ খেলে ছিলেন। মহা প্রভু শ্রী চৈতন্যের জন্ম হয়েছিল এই পূর্নিমা তিথিতে।  ফাল্গুনী পূর্ণিমার আগের দিন শুক্লা চর্তুদশী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম মিলে দুই দৈত্য কে হত্যা করে। এর পর শুকনো কাঠ, খড়কুটো দিয়ে তাদের আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। সেই থেকে দোল পূর্নিমার আডগের দিন ন্যাড়া পোড়া প্রচলন হয়।  হিন্দুদের বিশ্বাস মতে, বৃন্দাবনে রাধা ও কৃষ্ণের দ্বারা হোলি খেলার উৎসব পালিত হয়েছিল। হোলি খেলার মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয় নির্দেশ করে।
দোলযাএা,দোল উৎসব,কিংবা হোলি খেলা নামেও পরিচিত।  রক্ষিত বাড়ির পুরোহিত দীনেশ চক্রবর্ত্তী জানান, বৃহস্পতিবার  ন্যাড়া পোড়া, শুক্রবার দেবদোল ও পূর্নিমার উপবাস, শনিবার পূজা যজ্ঞ, ভোগরাগ, বিকেলে গোবিন্দ নিয়ে গ্রামে গ্রামে যাওয়া ও রাতে প্রস্হ বন্ধন। দোলের পরদিন হোলি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।  রক্ষিত বাড়ির বংশধর সাংবাদিক উৎপল রক্ষিত জানান, সকল মানুষের শান্তি কামনায় ও অন্যায়ের পতন, ন্যায়ের জয়ের জন্য রক্ষিত পরিবার প্রতি বছর দোল উৎসব পালন করে থাকে।  হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে দোল উৎসব বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রায়  প্রতিটি বাড়িতে দোল উৎসব পাল করে থাকে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা

বিশ্বশান্তি কামনায় রঘুনাথপুর রক্ষিত ২৮৮ তম দোল উৎসব পালন

সর্বশেষ : ১০:১৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
রক্ষিত বাড়ির বংশধরেরা পূর্ব পুরুষের পালন করা দোল উৎসব এখনো পালন করে আসছেন। দোল উৎসব এলাকার হিন্দু মুসলিমের  সম্প্রীতির  এক মিলন বন্ধন।  রক্ষিত বাড়ির পূর্বপুরুষের তৈরি করা পিতলের তৈরি রাধা গোবিন্দের মূর্তি দিয়ে রক্ষিত বাড়ির বংশধরেরা দোল উৎসব পালন করছেন। রক্ষিত বাড়ির বর্তমান বংশধর যারা দোলের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে তারা হলেন প্রবীর কুমার রক্ষিত, আনন্দ মোহন রক্ষিত, উৎপল কুমার রক্ষিত, বিপুল কুমার রক্ষিত, মন্তোষ কুমার রক্ষিত।  ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।  পূর্ণিমা তিথি বৃহস্পতিবার ১০ টা ৫২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড পর্যন্ত পূর্নিমা শুক্রবার ১২টা ৪ মিনিট ১১ সেকেন্ড পর্যন্ত পরে প্রতিপদ, দোল পূর্নিমার উপবাস।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার প্রিয় গোপী, রাধার প্রেমের চিরন্তন বন্ধন কে ধরে রাখার জন্য প্রাচীন কাল থেকেই দোল উৎসব পালন করে আসছেন। দোল পূর্নিমার দিন শ্রীকৃষ্ণ আবির নিয়ে শ্রীরাধা ও গোপিদের সাথে নিয়ে রঙ খেলে ছিলেন। মহা প্রভু শ্রী চৈতন্যের জন্ম হয়েছিল এই পূর্নিমা তিথিতে।  ফাল্গুনী পূর্ণিমার আগের দিন শুক্লা চর্তুদশী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম মিলে দুই দৈত্য কে হত্যা করে। এর পর শুকনো কাঠ, খড়কুটো দিয়ে তাদের আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। সেই থেকে দোল পূর্নিমার আডগের দিন ন্যাড়া পোড়া প্রচলন হয়।  হিন্দুদের বিশ্বাস মতে, বৃন্দাবনে রাধা ও কৃষ্ণের দ্বারা হোলি খেলার উৎসব পালিত হয়েছিল। হোলি খেলার মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয় নির্দেশ করে।
দোলযাএা,দোল উৎসব,কিংবা হোলি খেলা নামেও পরিচিত।  রক্ষিত বাড়ির পুরোহিত দীনেশ চক্রবর্ত্তী জানান, বৃহস্পতিবার  ন্যাড়া পোড়া, শুক্রবার দেবদোল ও পূর্নিমার উপবাস, শনিবার পূজা যজ্ঞ, ভোগরাগ, বিকেলে গোবিন্দ নিয়ে গ্রামে গ্রামে যাওয়া ও রাতে প্রস্হ বন্ধন। দোলের পরদিন হোলি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।  রক্ষিত বাড়ির বংশধর সাংবাদিক উৎপল রক্ষিত জানান, সকল মানুষের শান্তি কামনায় ও অন্যায়ের পতন, ন্যায়ের জয়ের জন্য রক্ষিত পরিবার প্রতি বছর দোল উৎসব পালন করে থাকে।  হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে দোল উৎসব বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রায়  প্রতিটি বাড়িতে দোল উৎসব পাল করে থাকে।