, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল সহকর্মীর হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হলেন শিক্ষিকা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেফতার ৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা বর্ণাঢ্য আয়োজন ৭১ টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেশবিরোধী অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ কাউখালী সরকারি গান্ডতা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন পিরোজপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল ও পথসভা উলিপুরে বাইপাস সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন লামায় ২ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, মাদক ব্যবসায় জড়ানোর দাবি অস্বীকার ও হয়রানির অভিযোগ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

কাশ্মীরে পর্যটক হত্যার নথি ফাঁস পরোক্ষ জড়িত ভারত

ভারতের কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া পর্যটক হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে  বিশ্ববাসীকে জানান দিয়ে ইতোমধ্য পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধের দামামা  বাজিয়ে পাকিস্তানকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছে আর ঠিক সেই মুহূর্তে উদঘাটন হয়েছে ২৬ জন পর্যটক হত্যার মূল রহস্য আর তাতে সরাসরি জড়িত রয়েছে ভারত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পাকিস্তানী শীর্ষ কিছু গণমাধ্যম। যেখানে এই হামলার পিছনের গোপন গোয়েন্দা নথি ফাঁস করে পর্যটক হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান টেলিভিশন, জিও নিউজ এবং পাকিস্তান অবজার্ভারের মত প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে উঠে এসেছে ভয়াবহ সেই তথ্যচিত্র। পাকিস্তান দাবি করছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে অমুসলিম পর্যটকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা নিজেই করেছে ভারত আর এর দায় সুকৌশলে পাকিস্তানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয় মাত্র ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে।
ইসলামাবাদ অভিযোগ করছে, এটি ছিল পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মহলে কোণঠাসা করার একটি কৌশল মাত্র। যদিও পাকিস্তানের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারত স্পষ্ট কোন জবাব দেয়নি। এদিকে আবার পাকিস্তান সাময়িকভাবে সীমান্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে। কাশ্মীর হামলার পর থেকেই দুদেশের সীমান্তে বিরাজ করছে সীমাহীন উত্তেজনা। এই বুঝি যুদ্ধ লেগে গেলো, এরই মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে। এসবের মধ্যেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তিল্লা ময়দানে বড় আকারের সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যেখানে সেনাপ্রধান আসিম মুনির ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে জানান, “পাকিস্তান যে কোনো সামরিক আগ্রাসন শক্তভাবে প্রতিহত করতে প্রস্তুত, তবে আমরা আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার পক্ষেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এই ঘটনা আবার নাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে, তিনিও দিয়েছেন কড়া ভাষায় জবাব।
এদিকে কাশ্মীর হামলার পিছনে নরেন্দ্র মোদির ষড়যন্ত্র ইতিমধ্যে ফাঁস হয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও। আর পাকিস্তানও এই ইস্যুতে ভারতকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিয়ে কথা বলছে না। দুদেশের সম্পর্ক এখন এতটাই উত্তপ্ত যে, যেকোন সময় লেগে যেতে পারে যুদ্ধের দামামা। পারমাণবিক শক্তিধর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ লেগে গেলে তা হবে দুদেশের জনগণের জন্যই ক্ষতির কারণ, এমনটিই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

কাশ্মীরে পর্যটক হত্যার নথি ফাঁস পরোক্ষ জড়িত ভারত

সর্বশেষ : ১১:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
ভারতের কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া পর্যটক হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে  বিশ্ববাসীকে জানান দিয়ে ইতোমধ্য পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধের দামামা  বাজিয়ে পাকিস্তানকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছে আর ঠিক সেই মুহূর্তে উদঘাটন হয়েছে ২৬ জন পর্যটক হত্যার মূল রহস্য আর তাতে সরাসরি জড়িত রয়েছে ভারত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পাকিস্তানী শীর্ষ কিছু গণমাধ্যম। যেখানে এই হামলার পিছনের গোপন গোয়েন্দা নথি ফাঁস করে পর্যটক হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান টেলিভিশন, জিও নিউজ এবং পাকিস্তান অবজার্ভারের মত প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে উঠে এসেছে ভয়াবহ সেই তথ্যচিত্র। পাকিস্তান দাবি করছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে অমুসলিম পর্যটকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা নিজেই করেছে ভারত আর এর দায় সুকৌশলে পাকিস্তানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয় মাত্র ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে।
ইসলামাবাদ অভিযোগ করছে, এটি ছিল পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মহলে কোণঠাসা করার একটি কৌশল মাত্র। যদিও পাকিস্তানের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারত স্পষ্ট কোন জবাব দেয়নি। এদিকে আবার পাকিস্তান সাময়িকভাবে সীমান্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে। কাশ্মীর হামলার পর থেকেই দুদেশের সীমান্তে বিরাজ করছে সীমাহীন উত্তেজনা। এই বুঝি যুদ্ধ লেগে গেলো, এরই মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে। এসবের মধ্যেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তিল্লা ময়দানে বড় আকারের সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যেখানে সেনাপ্রধান আসিম মুনির ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে জানান, “পাকিস্তান যে কোনো সামরিক আগ্রাসন শক্তভাবে প্রতিহত করতে প্রস্তুত, তবে আমরা আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার পক্ষেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এই ঘটনা আবার নাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে, তিনিও দিয়েছেন কড়া ভাষায় জবাব।
এদিকে কাশ্মীর হামলার পিছনে নরেন্দ্র মোদির ষড়যন্ত্র ইতিমধ্যে ফাঁস হয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও। আর পাকিস্তানও এই ইস্যুতে ভারতকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিয়ে কথা বলছে না। দুদেশের সম্পর্ক এখন এতটাই উত্তপ্ত যে, যেকোন সময় লেগে যেতে পারে যুদ্ধের দামামা। পারমাণবিক শক্তিধর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ লেগে গেলে তা হবে দুদেশের জনগণের জন্যই ক্ষতির কারণ, এমনটিই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।