, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা বর্ণাঢ্য আয়োজন ৭১ টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেশবিরোধী অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ কাউখালী সরকারি গান্ডতা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন পিরোজপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল ও পথসভা উলিপুরে বাইপাস সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন লামায় ২ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, মাদক ব্যবসায় জড়ানোর দাবি অস্বীকার ও হয়রানির অভিযোগ নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে আদমদীঘিতে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার  লালপুরে নিরাপদ খাদ্য চাই নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিষিদ্ধ আ’লীগের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কারফিউ জারির আহবান জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ 

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কতৃক ভারতীয় বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করা হচ্ছে। বিএসএফ এর অবৈধ পুশইন ঠাকাতে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে কারফিউ জারি  ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহবান জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। রবিবার গণমাধ্যম পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এই আহবান জানিয়েছেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে ভারত-অনুগত সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের ওপর বহুমুখী কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। এই পুশইনের ঘটনা সেই চাপ প্রয়োগের একটি নগ্ন প্রকাশ, যা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। গত বুধবার ০৭ মে ২০২৫ তারিখ  খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলা দিয়ে প্রায় এক শতাধিক ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বিএসএফ, একই দিনে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি এবং ভূরুঙ্গামারি দিয়ে ৪০জন এবং শুক্রবার ০৯ মে ২০২৫ তারিখ সাতক্ষীরার নদী পথে ৬২ জন ভারতীয় বাসিন্দাকে অবৈধভাবে জোরপূর্বক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে বিএসএফ। এদের বেশিরভাগকেই বিজিবি আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এরা ভারতের গুজরাট রাজ্যে বসবাসরত মুসলমানদের একটি অংশ। এদেরকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে আখ্যায়িত করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে আটককৃত সূত্রে জানা গিয়েছে। অথচ, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব ব্যক্তিকে বাংলাদেশি হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, তারা সবাই ভারতীয় নাগরিক এবং বহু প্রজন্ম ধরে তারা সেখানেই বসবাস করে আসছেন। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের বন্ধ,  সীমান্ত সুরক্ষায় অধিকতর সতর্ক থাকতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড  (বিজিবি)প্রতি অনুরোধ  ও সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির আহবান জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। একই সাথে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ, বিএসএফ ও সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে আগামী তিন মাসের জন্য সন্দা ৬.০০ থেকে সকাল ৬.০০ পর্যন্ত দৈনিক ১২ ঘন্টা কারফিউ জারি করার অনুরোধ জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। একই সাথে যে কোন অনাহুত পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। যদি বিএসএফ এর কোনো রকম অপতৎপরতা দেখা যায় তাহলে স্থানীয় জনতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিজিবি’র সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করতে অনুরোধ জানান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ পুশইন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কে হুমকির মুখে ফেলবে, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিরও অবমাননা ঘটাচ্ছে ভারত। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ  মনে করে, ভারতীয়দের এ ধরনের আচরণ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক জবাব প্রদান,  জাতিসংঘসহ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাগুলোতে অভিযোগ প্রদান এবং জাতীয়ভাবে একটি সাহসী ও তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সেইসাথে পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আলোকে অতিদ্রুত ভারতে ফেরত পাঠানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। কোনোভাবেই ভারতের অপকৌশল মেনে নিয়ে বিষয়টিকে ‘মানবিকতার’ আবরণে লুকানো যাবে না।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা

পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কারফিউ জারির আহবান জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ 

সর্বশেষ : ০৫:১৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কতৃক ভারতীয় বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করা হচ্ছে। বিএসএফ এর অবৈধ পুশইন ঠাকাতে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে কারফিউ জারি  ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহবান জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। রবিবার গণমাধ্যম পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এই আহবান জানিয়েছেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে ভারত-অনুগত সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের ওপর বহুমুখী কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। এই পুশইনের ঘটনা সেই চাপ প্রয়োগের একটি নগ্ন প্রকাশ, যা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। গত বুধবার ০৭ মে ২০২৫ তারিখ  খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলা দিয়ে প্রায় এক শতাধিক ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বিএসএফ, একই দিনে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি এবং ভূরুঙ্গামারি দিয়ে ৪০জন এবং শুক্রবার ০৯ মে ২০২৫ তারিখ সাতক্ষীরার নদী পথে ৬২ জন ভারতীয় বাসিন্দাকে অবৈধভাবে জোরপূর্বক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে বিএসএফ। এদের বেশিরভাগকেই বিজিবি আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এরা ভারতের গুজরাট রাজ্যে বসবাসরত মুসলমানদের একটি অংশ। এদেরকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে আখ্যায়িত করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে আটককৃত সূত্রে জানা গিয়েছে। অথচ, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব ব্যক্তিকে বাংলাদেশি হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, তারা সবাই ভারতীয় নাগরিক এবং বহু প্রজন্ম ধরে তারা সেখানেই বসবাস করে আসছেন। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের বন্ধ,  সীমান্ত সুরক্ষায় অধিকতর সতর্ক থাকতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড  (বিজিবি)প্রতি অনুরোধ  ও সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির আহবান জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। একই সাথে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ, বিএসএফ ও সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে আগামী তিন মাসের জন্য সন্দা ৬.০০ থেকে সকাল ৬.০০ পর্যন্ত দৈনিক ১২ ঘন্টা কারফিউ জারি করার অনুরোধ জানান সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। একই সাথে যে কোন অনাহুত পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। যদি বিএসএফ এর কোনো রকম অপতৎপরতা দেখা যায় তাহলে স্থানীয় জনতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিজিবি’র সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করতে অনুরোধ জানান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ পুশইন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কে হুমকির মুখে ফেলবে, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিরও অবমাননা ঘটাচ্ছে ভারত। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ  মনে করে, ভারতীয়দের এ ধরনের আচরণ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক জবাব প্রদান,  জাতিসংঘসহ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাগুলোতে অভিযোগ প্রদান এবং জাতীয়ভাবে একটি সাহসী ও তথ্যভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সেইসাথে পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আলোকে অতিদ্রুত ভারতে ফেরত পাঠানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। কোনোভাবেই ভারতের অপকৌশল মেনে নিয়ে বিষয়টিকে ‘মানবিকতার’ আবরণে লুকানো যাবে না।