, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা বর্ণাঢ্য আয়োজন ৭১ টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেশবিরোধী অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ কাউখালী সরকারি গান্ডতা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন পিরোজপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল ও পথসভা উলিপুরে বাইপাস সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন লামায় ২ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, মাদক ব্যবসায় জড়ানোর দাবি অস্বীকার ও হয়রানির অভিযোগ নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে আদমদীঘিতে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার  লালপুরে নিরাপদ খাদ্য চাই নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিষিদ্ধ আ’লীগের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

হরমুজ প্রণালিতে কাদের জাহাজ চলবে, কাদের চলতে পারবে না, জানাল ইরান

দ্য গার্ডিয়ান:  চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ওই মুখপাত্রের এমন বক্তব্য প্রচার করেছে।

তবে নাম প্রকাশ না করা ইরানের ওই মুখপাত্র বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা না হলেও সেখান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজ চলাচল করতে গেলে সেটাকে নিশানা বানানো হবে।

ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে ইচ্ছুক কোনো জাহাজকে বাধা দেব না। তবে এর নিরাপত্তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট জাহাজকে নিতে হবে।’
‘জায়নবাদী সত্ত্বা (ইসরায়েল) ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হতে গেলে সেটাকে নিশানা করা হবে’—ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের ওই মুখপাত্র।

আল–জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ৩৯ কিলোমিটার (২৪ মাইল) দীর্ঘ। পারস্য সাগর আর ওমান সাগরের মধ্য সংযোগ তৈরি করেছে এই প্রণালি। বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যৌথ আগ্রাসন এবং তেহরানের পাল্টা জবাবের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য, এ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের পাঁচ ভাগের এক ভাগ বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে।

বিশ্বজুড়ে জাহাজ চলাচলের তথ্য পর্যালোচনাকারী প্রতিষ্ঠান ভোরটেক্সার হিসাব অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৪টি জাহাজ চলাচল করত। তবে সংঘাত শুরুর পর ১ মার্চ এ সংখ্যা মাত্র ৪-এ নেমে এসেছে।

ভোরটেক্সা ও জাহাজ ট্র্যাকার কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৩০০টি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকা পড়ে আছে।

গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরান সরকার জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশ বা তাদের মিত্রদের কোনো জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে ওই বিবৃতিতে চীনের ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এখন নতুন করে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

৩০-আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর পরিবারকে সহায়তা

হরমুজ প্রণালিতে কাদের জাহাজ চলবে, কাদের চলতে পারবে না, জানাল ইরান

সর্বশেষ : ০১:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

দ্য গার্ডিয়ান:  চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ওই মুখপাত্রের এমন বক্তব্য প্রচার করেছে।

তবে নাম প্রকাশ না করা ইরানের ওই মুখপাত্র বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা না হলেও সেখান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজ চলাচল করতে গেলে সেটাকে নিশানা বানানো হবে।

ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে ইচ্ছুক কোনো জাহাজকে বাধা দেব না। তবে এর নিরাপত্তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট জাহাজকে নিতে হবে।’
‘জায়নবাদী সত্ত্বা (ইসরায়েল) ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হতে গেলে সেটাকে নিশানা করা হবে’—ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের ওই মুখপাত্র।

আল–জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ৩৯ কিলোমিটার (২৪ মাইল) দীর্ঘ। পারস্য সাগর আর ওমান সাগরের মধ্য সংযোগ তৈরি করেছে এই প্রণালি। বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যৌথ আগ্রাসন এবং তেহরানের পাল্টা জবাবের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য, এ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের পাঁচ ভাগের এক ভাগ বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে।

বিশ্বজুড়ে জাহাজ চলাচলের তথ্য পর্যালোচনাকারী প্রতিষ্ঠান ভোরটেক্সার হিসাব অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৪টি জাহাজ চলাচল করত। তবে সংঘাত শুরুর পর ১ মার্চ এ সংখ্যা মাত্র ৪-এ নেমে এসেছে।

ভোরটেক্সা ও জাহাজ ট্র্যাকার কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৩০০টি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকা পড়ে আছে।

গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরান সরকার জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশ বা তাদের মিত্রদের কোনো জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে ওই বিবৃতিতে চীনের ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এখন নতুন করে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।